Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2020

Featured Post

রবিবর্ণ | সমাজের বর্ণ | স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা-২০২১

সমাজের বর্ণ স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকায় আপনাকে স্বাগত ~ Welcome to Sworobarna Literary Magazine |                         এই বছরের নতুন নিবেদন -- সমাজের বর্ণ | অণুগল্পে সমাজের নানান রং এর মেলা | রবিবর্ণ | স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা - ২০২১     🙏 ধন্যবাদ ~ Thank You 🙏 মা দেবীকা মিস্ত্রী সঞ্জীবনী প্রথম যেদিন মিমিকে দেখেছিল, বাঁচিয়েছিল একটি বড়োসড়ো অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার হাত থেকে। কোলে তুলে নিয়েছিল ছোট্ট মিমিকে।সেদিন মিমিও সঞ্জীবনীর বুকে মাথা রেখে, বেঁহুশ হয়ে "মা" বলে ডেকেছিল। সঞ্জীবনীর মধ্যে জেগে উঠেছিল মা-এর একটি রূপ। সেই ঘটনার পর, বহুবার সঞ্জীবনী মিমির সাথে দেখা করার চেষ্টা করে। কিন্তু, তাকে মিমির কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। মিমিও অনেকবার সঞ্জীবনীর কাছে আসার ব‍্যর্থ চেষ্টা করেছিল। ঠিকই তো, সঞ্জীবনীকে ছোট্ট মিমির কাছে কেন আসতে দেবে এই সুস্থ সমাজ। সে যে, নপুংসক, হিজড়া, ছক্কা। কারোর কারোর চোখে ...

কালো কন্ঠ (গল্প) - জয়ীতা দাস

স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা কালো কন্ঠ জয়ীতা দাস সেদিন দুপুরে হঠাৎ রাকার ফোনটা বেজে উঠলো। একটা অচেনা নাম্বার। প্রথমে মনে করল, ফোনটা ধরবেনা। তারপর কি মন গেল,ফোনটা ধরল। ওপার থেকে ভেসে এলো একটা পুরুষালী কণ্ঠস্বর। "কিরে চিনতে পারছিস?" "Sorry আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না..!"চোখে একরাশ বিস্ময় নিয়ে রাকা কথাটা ছুঁড়ে দেয় অপরপ্রান্তে। গলার স্বরটাকে প্রফেশনাল RJ আর্টিস্টের মতো করে মৃন্ময় বলল, "গঙ্গার ধারে একটা মরা কৃষ্ণচূড়ার গাছ ছিল। সেই গাছটাকে দেখতেই তুই রোজ আমাকে কলেজ থেকে টানতে টানতে নিয়ে যেতিস... মনে আছে!" ''ওহ্ মৃন্ময়...কেমন আছিস?'' "যাক্ চিনতে পেরেছিস তবে!" "হ্যাঁ হঠ্যৎ করে বড়ো না হয়ে গেলে হয়তো চিনতে পারতামনা..! তারপর বল এতদিন পর...?"-গলার স্বরটাকে খানিক চেপে ধরেই রাকা এগিয়ে দেয় কথোপকথন। আজ হঠ্যৎ পাঁচ বছর পর কি মনে করে ও ফোন করছে, এটা ভাবতে ভাবতেই রাকা ব্যালকানির কার্ণিশে এসে দাঁড়ায়। "সেদিন আমায় চলে যেতেই হয়েছিল জানিস? আমি জানি সেদিন তুই কলেজস্ট্রিটে আমার জন্যই অপেক্ষা করছিলিস! কিন্তু বিশ্বাস...

আকাশের তারা (কবিতা) - রথীন পার্থ মন্ডল

স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা আকাশের তারা রথীন পার্থ মন্ডল আকাশের তারা ধরে শিশুটি বলল,   "মা, খিদে পেয়েছে, খেতে দাও" নদীর ভেতর থেকে মা বলল, "চুপ" আকাশের তারা ধরে শিশুটি আবার বলল, "মা, খিদে পেয়েছে, খেতে দাও" নদীর ভেতর থেকে বাবা বলল, "চুপ কর" শিশুটি ধীরে ধীরে রাত হয়ে গেল। 

যাযাবরের সংসার (গল্প) - স্বপঞ্জয় চৌধুরী

যাযাবরের সংসার স্বপঞ্জয় চৌধুরী স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা খালের ওপরের নড়বড়ে সাঁকোখানা খুব সাবধানে পার হয় সাহারা। খালের দুধারে হালকা বেগুনি রঙের কলমি ফুলগুলো বাতাসে দুলে দুলে তার পারাপারের ঘটনাটাকে অবলোকন করছে। একটু দূরেই কয়েকটা ছেলেমেয়ে গর্ত খুড়ে কী একটা যেন খোঁজার চেষ্টা করছে যেন খুব মহামূল্যবান কিছু। সাহারা বুঝতে পারে তারা কী করতে যাচ্ছে। তার পূর্ব পুরুষের আদিম পেশা এটা। ছেলেরা গর্ত ছেড়ে কিছু সময়ের জন্য সাহারার দিকে তাকায় মুখে কিছু না বললেও তারা চোখের ভাষায় যেন সাহারারাই সাহায্য কামনা করছে। সাহারাও এগিয়ে গেল গর্তের দিকে। সর পোলাপান সর সর একজন জায়গা করে দেয় সাহারাকে। নদু মুন্সীর ছেলে বারেক সাবলটা বাড়িয়ে দেয় সাহারার দিকে। সাহারা কয়েকটা কোপ গর্তের মুখে দেয়ার সাথে সাথে পাক্কা আট হাত লম্বা একটা বিরল প্রজাতির গোখরো সাপ বেড়িয়ে আসে। সাহারার মুখে ভয়মিশ্রিত একটা শুভ্র হাসি দেখতে পাওয়া যায়। গেরস্তের বউ হওয়ার পর এই তৃতীয়বার সে সাপ ধরলো। গেলো বছর বাড়ির রান্নাঘর থেকে শাশুড়ি মায়ের দেখা একটা অজগরের ছানা ধরেছিল। তারপর তার কিছদিন বাদেই নদু মুন্সীর বাড়ি থেকে একটা দাঁড়াস সাপ ধরেছিল। সেই থে...