Skip to main content

Posts

Featured Post

রবিবর্ণ | সমাজের বর্ণ | স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা-২০২১

সমাজের বর্ণ স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকায় আপনাকে স্বাগত ~ Welcome to Sworobarna Literary Magazine |                         এই বছরের নতুন নিবেদন -- সমাজের বর্ণ | অণুগল্পে সমাজের নানান রং এর মেলা | রবিবর্ণ | স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা - ২০২১     🙏 ধন্যবাদ ~ Thank You 🙏 মা দেবীকা মিস্ত্রী সঞ্জীবনী প্রথম যেদিন মিমিকে দেখেছিল, বাঁচিয়েছিল একটি বড়োসড়ো অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার হাত থেকে। কোলে তুলে নিয়েছিল ছোট্ট মিমিকে।সেদিন মিমিও সঞ্জীবনীর বুকে মাথা রেখে, বেঁহুশ হয়ে "মা" বলে ডেকেছিল। সঞ্জীবনীর মধ্যে জেগে উঠেছিল মা-এর একটি রূপ। সেই ঘটনার পর, বহুবার সঞ্জীবনী মিমির সাথে দেখা করার চেষ্টা করে। কিন্তু, তাকে মিমির কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। মিমিও অনেকবার সঞ্জীবনীর কাছে আসার ব‍্যর্থ চেষ্টা করেছিল। ঠিকই তো, সঞ্জীবনীকে ছোট্ট মিমির কাছে কেন আসতে দেবে এই সুস্থ সমাজ। সে যে, নপুংসক, হিজড়া, ছক্কা। কারোর কারোর চোখে ...
Recent posts

বুকের একতারা (কবিতা) | কবি- কৌশিক মাহাত

বুকের একতারা কবিতা কবিতা বুকের একতারা কৌশিক মাহাত রাত নদীর মোহনায় আমি প্রহরী। চুপি সারে বসে থাকি স্রোতের দিকে চেয়ে।  অপ্সরারা কাঁখে মাটির কলস নিয়ে জল নিতে আসে। আমার ভিজে যাওয়া মন সূর্যের দিকে তাকিয়ে আলো দেখার চেষ্টা করে। কত নিস্তব্ধতার ভান ডানায় ঝাপটা মেরে পাখিরা দুর দুরান্তে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।  বুকের একতারা থেকে তখন গানের শব্দ ঝর্না হয়ে ঝরে পড়ে  দখিন জানালার কাঁচে। বুকের...!!!

সতীন্দ্রনাথের গল্প (হাস্য রচনা) - সমাজ বসু

  সতীন্দ্রনাথের গল্প সমাজ বসু         গত চব্বিশ ঘণ্টায় সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক এ পৌঁছেচে। মহারাষ্ট্রের ধারভি অঞ্চলের উক্ত আক্রান্তকে কোয়ান্টামে রাখা হয়েছে।  চোখে চশমা,খয়েরি রঙের টাই পরা টিভির ঘোষকের দরাজ গলায় খবরটা শুনেই সতীন্দ্রনাথ নিজের একটা হাতের লোম ধরে টানতেই বেশ একটু ব্যথা অনুভব করলেন। তার মানে খবরটা সত্যি। একেবারে আইএসআই মার্কা মারা একশ ভাগ সত্যি।    ---- হ্যাগো, সেই কখন পাঁপড়গুলো দিয়ে গেছি, এখনো একটাও মুখে তোলনি? তাই বলি,এত চুপচাপ কেন? তোমার মুখে খাবার পড়লেই তো, খাওয়ার চেয়ে আওয়াজই বেশি হয়। তাই ছুটে এলাম। এদিকে পাঁপড়গুলো তো ভেজা কাক হয়ে তোমার দিকেই তাকিয়ে আছে।    --- আরে গিন্নি, সাতানব্বই দিনের মাথায় একটা দারুণ খবর শুনলাম।আজ যে কি আনন্দ হচ্ছে। একটা পাঁপড় ভেঙে আমার মুখে দাও দেখি।     --- যতসব আদিখ্যেতা। এই বলে সতীন্দ্রনাথের স্ত্রী,অরুণা দেবী ব্যাস্ত পায়ে আবার কিচেনেই সেঁদিয়ে গেলেন।     সতীন্দ্রনাথ ফের টিভির খবরে ঢুকে পড়লেন। টিভির ভল্যুমটা বাড়িয়ে দিয়ে তিনি পাঁপড়ের শব্দকে ব...

এক কিলো মানুষ (ব্যাঙ্গ গল্প) - অনিরুদ্ধ ঘোষ

এক কিলো মানুষ অনিরুদ্ধ ঘোষ আজ পয়ষট্টি দিন হল কুলীণ পাড়ায় কোনো মানুষ নেই। পরশু সকালে ছত্রিশ হাজার টাকার মানুষ বিক্রি হয়েছে। আমাকে পবিত্রর বাবা বলে গেলেন না কি লেখক দের দাম কমে গেছে। তাই বেশি করে বিক্রি হচ্ছে। বললেন যে গতমাসে এক ব্যাক্তি বিয়াল্লিশশ টাকার ছয় কেজি আর্টিস্ট মানুষের মাংশ কিনে নিয়ে গেছে। ওদিকে এখন সকাল বেলায় চাঁদ ওঠে। আর রাতে খুব ছোটো একটা সূর্য দেখা যায় তবে ওর আলো আর নেই। শুনছি নাকি এরপর অফিস মালিক গুলো কাঁটা হবে। ওদের দাম সরকার ঠিক করে রেখেছে ছয়শ টাকা করে কেজি। আসল ঘটনাটা হল বিগত দুই বছর আগে কে যেন একটা আমাদের পৃথিবীতে এলো ঠিক মানুষের মতন দেখতে। কোনো অমিল নেই। কেবল চেহারাটায় যা অমিল। উচ্চতা প্রায় পচিশ ফুট আর প্রস্থ বলতে গেলে তিন ফুটের কাছাকাছি। ওরা এক মিটার কে এক সেন্টিমিটার ধরে। এসে বলল যে তিনি এবার সবার ওপর নিয়ন্ত্রন করবেন। মানে বলতে গেলে তিনিই নতুন ঈশ্বর তিনিই সরকার। না! মানুষদের ঈশ্বর নয় তিনি বানুষ দের ঈশ্বর। আরো বললেন যে তিনি মানুষের মাংশ রক্ত শুদ্ধ খান। আমরা যেমনটা পাঠা বলি দি কালি মাতার আরাধনায় ঠিক তেমন। এরপর ধীরে ধীরে একের পর এক বান ছুড়তে ছুড়তে চলে এলো ...

কালো কন্ঠ (গল্প) - জয়ীতা দাস

স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা কালো কন্ঠ জয়ীতা দাস সেদিন দুপুরে হঠাৎ রাকার ফোনটা বেজে উঠলো। একটা অচেনা নাম্বার। প্রথমে মনে করল, ফোনটা ধরবেনা। তারপর কি মন গেল,ফোনটা ধরল। ওপার থেকে ভেসে এলো একটা পুরুষালী কণ্ঠস্বর। "কিরে চিনতে পারছিস?" "Sorry আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না..!"চোখে একরাশ বিস্ময় নিয়ে রাকা কথাটা ছুঁড়ে দেয় অপরপ্রান্তে। গলার স্বরটাকে প্রফেশনাল RJ আর্টিস্টের মতো করে মৃন্ময় বলল, "গঙ্গার ধারে একটা মরা কৃষ্ণচূড়ার গাছ ছিল। সেই গাছটাকে দেখতেই তুই রোজ আমাকে কলেজ থেকে টানতে টানতে নিয়ে যেতিস... মনে আছে!" ''ওহ্ মৃন্ময়...কেমন আছিস?'' "যাক্ চিনতে পেরেছিস তবে!" "হ্যাঁ হঠ্যৎ করে বড়ো না হয়ে গেলে হয়তো চিনতে পারতামনা..! তারপর বল এতদিন পর...?"-গলার স্বরটাকে খানিক চেপে ধরেই রাকা এগিয়ে দেয় কথোপকথন। আজ হঠ্যৎ পাঁচ বছর পর কি মনে করে ও ফোন করছে, এটা ভাবতে ভাবতেই রাকা ব্যালকানির কার্ণিশে এসে দাঁড়ায়। "সেদিন আমায় চলে যেতেই হয়েছিল জানিস? আমি জানি সেদিন তুই কলেজস্ট্রিটে আমার জন্যই অপেক্ষা করছিলিস! কিন্তু বিশ্বাস...

আকাশের তারা (কবিতা) - রথীন পার্থ মন্ডল

স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা আকাশের তারা রথীন পার্থ মন্ডল আকাশের তারা ধরে শিশুটি বলল,   "মা, খিদে পেয়েছে, খেতে দাও" নদীর ভেতর থেকে মা বলল, "চুপ" আকাশের তারা ধরে শিশুটি আবার বলল, "মা, খিদে পেয়েছে, খেতে দাও" নদীর ভেতর থেকে বাবা বলল, "চুপ কর" শিশুটি ধীরে ধীরে রাত হয়ে গেল। 

যাযাবরের সংসার (গল্প) - স্বপঞ্জয় চৌধুরী

যাযাবরের সংসার স্বপঞ্জয় চৌধুরী স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা খালের ওপরের নড়বড়ে সাঁকোখানা খুব সাবধানে পার হয় সাহারা। খালের দুধারে হালকা বেগুনি রঙের কলমি ফুলগুলো বাতাসে দুলে দুলে তার পারাপারের ঘটনাটাকে অবলোকন করছে। একটু দূরেই কয়েকটা ছেলেমেয়ে গর্ত খুড়ে কী একটা যেন খোঁজার চেষ্টা করছে যেন খুব মহামূল্যবান কিছু। সাহারা বুঝতে পারে তারা কী করতে যাচ্ছে। তার পূর্ব পুরুষের আদিম পেশা এটা। ছেলেরা গর্ত ছেড়ে কিছু সময়ের জন্য সাহারার দিকে তাকায় মুখে কিছু না বললেও তারা চোখের ভাষায় যেন সাহারারাই সাহায্য কামনা করছে। সাহারাও এগিয়ে গেল গর্তের দিকে। সর পোলাপান সর সর একজন জায়গা করে দেয় সাহারাকে। নদু মুন্সীর ছেলে বারেক সাবলটা বাড়িয়ে দেয় সাহারার দিকে। সাহারা কয়েকটা কোপ গর্তের মুখে দেয়ার সাথে সাথে পাক্কা আট হাত লম্বা একটা বিরল প্রজাতির গোখরো সাপ বেড়িয়ে আসে। সাহারার মুখে ভয়মিশ্রিত একটা শুভ্র হাসি দেখতে পাওয়া যায়। গেরস্তের বউ হওয়ার পর এই তৃতীয়বার সে সাপ ধরলো। গেলো বছর বাড়ির রান্নাঘর থেকে শাশুড়ি মায়ের দেখা একটা অজগরের ছানা ধরেছিল। তারপর তার কিছদিন বাদেই নদু মুন্সীর বাড়ি থেকে একটা দাঁড়াস সাপ ধরেছিল। সেই থে...

মৃগয়া (কবিতা) - কবি: কুলাঙ্গার

স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা মৃগয়া কুলাঙ্গার চাপা রাগ নিক্ষেপ         মৃগয়ার বাণ সংজ্ঞা করে চাপ কাহিনী নেই বড় বড় কথা নেই         অতিথির পথ চেয়ে বসে নেই সম্মুখে চেয়ে আছে         জীবনে যে বড় ভালবেসেছে ; সামনের গৃহ         অগ্নি দগ্ধ দেহ রক্ত দিয়েছে         জীবনের চলে যাওয়ার স্বপ্ন একা একা

উচ্চাসন (গল্প) - বৈদূর্য্য সরকার।

উচ্চাসন বৈদূর্য্য সরকার স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা তাড়াহুড়ো করে যেতে গিয়ে জলের পাউচে পা পড়ে তিন্নির গতি কিছুটা বেসামাল হলেও বিপত্তি হল মিলটনের । বেমক্কা জল ছিটকে এসে তার প্যান্টের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ভিজিয়ে দিয়ে গেল । কিছু বলার আগেই অবশ্য তিন্নি ততক্ষণে দ্রুত সে জায়গা ছেড়ে যেমন এসেছিল তেমনভাবেই চলে গেছে । বইমেলার এই পেছন দিকটা নিরিবিলিতে দাঁড়িয়ে মিলটন এতক্ষণ বন্ধুদের সাথে দাঁড়িয়ে গুরুগম্ভীর বিষয়ে বিতর্ক করছিল । অল্পবয়সী ছেলেদের কাছে সিরিয়াসনেস মানে যা হয় আর কী, দেশ ও দশের কথা ভাবা ! মিলটনকে ‘No NRC’ লেখা একটা পেজ মার্কার দেওয়া থেকে তর্ক শুরু হয়েছে ।  আচমকা আসা জলের তোড়ে থমকে গেল ওরা । এই অদ্ভুত সমাপতনে সবাই যে খানিকটা অবাক হয়নি তা নয়, তবে যাবতীয় সিরিয়াসনেস ভুলে সবার মুখেই হাসি ফুটে উঠল । অবশ্যই মিলটন ছাড়া বাকীরা । ততক্ষণে রেগে সে সৌম্যকে বলতে শুরু করেছে, দেখেছিস তো তোর দলের এসব ফচকে মেয়েরা লোককে অপদস্থ ছাড়া কিছুই করতে শেখেনি । সৌম্য হাসি বজায় রেখে বলল, দল বলের কথা উঠছে কেন ! তোর তো ডিপার্টমেন্ট । যাদবপুরের ইতিহাস। মিলটন পাস করে এমফিল করছে । তবে জায়গাটাকে যেন সে আঁক...

অপ্রয়োজনীয় লাঙ্গলের ফলক (অণুগল্প) - অমিত কুমার জানা

অপ্রয়োজনীয় লাঙ্গলের ফলক অমিত কুমার জানা স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা দীর্ঘ তিন বছর পর রতনবাবুর ছেলে অলকেশ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে আজ গ্রামের বাড়িতে ফিরে এসেছে। বাড়িতে একেবারে হই-হুল্লোড় পড়ে গেছে। বাবা, মা, ভাই, বোন সবাই তাকে নিয়ে খুব ব্যস্ত। মা বিভিন্ন প্রকার সুস্বাদু খাওয়ার রান্না করে ছেলেকে সস্নেহে খাওয়ালো। সন্ধ্যের দিকে মাটির দেওয়াল বেষ্টিত দুয়ারে বসে সবাই গল্প করছিল। যে যার অন্তরের চাপা কথা এতদিনে যেন প্রানখুলে প্রকাশ করছিল। অলকেশের মন প্রান কিন্তু নিমগ্ন ছিল তার অ্যান্ডড্রয়েড ফোনটায়। ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলিটি ফোনের স্ক্রীনের উপর ক্রমাগত উঠানামা করছিল। বাড়ির সদস্যদের কারোর প্রতি যেন তার ভ্রুক্ষেপ ছিল না। রতনবাব কিছুক্ষণ ইতস্তত করার পর গ্র্যাজুয়েট ছেলেকে বললেন, "এবার ফোনটা রাখ না। সারাক্ষন ওতেই ডুবে থেকে কি লাভ?"  অলকেশ তো ক্রোধে একেবারে ফেটে পড়ল। সে বললো, "তোমরা এসবের কি বুঝবে? গেঁয়ো মূর্খ কোথাকার"। রতনবাবুর তেমন কোন বিস্ময়ের বহিপ্রকাশ লক্ষ্য করা গেল না। এক কোণে পড়ে থাকা লাঙ্গলের ফলকটার দিকে তাঁর দষ্টিৃ নিক্ষিপ্ত হল। তিনি ভাবলেন সত্যিই তো আজকের দিনে ট্...

অগ্নিবৃক্ষের আচ্ছাদনে (কবিতা) - সঞ্জয় চক্রবর্তী

অগ্নিবৃক্ষের আচ্ছাদনে সঞ্জয় চক্রবর্তী স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা অস্তিত্বের থেকে বহুদূর অদম্য ইচ্ছের এক পাহাড়ে আমাকে বসিয়ে ছুটি নিয়েছিলে কোনো ক্ষীণকায়া মোহনার বাঁকে । এখনও মৃত্যুর কাছে মহা জীবনের উপলব্ধি পাই । আমি জানি, একমাত্র তুমিই পারো পৌরুষের সিংহগর্জন তুলে আনতে, সুপ্ত পরিকল্পনার পুরোনো পন্থা থেকে । সপ্তদ্বীপের আলো দাও, এই স্বর্গলোকে । অগ্নিবৃক্ষের আচ্ছাদনে যেভাবে বাস্পায়িত হই আজও । সেভাবেই শীতল ছায়ার মতো সুপর্ণ শৈশবের এই কিশলয়, পুণ্য কর্তব্যপরায়ণ পর্ণমোচীর দেহ । পিতৃ দিবসের কাকভোরে, অচিন সূর্যালোকে চিরহরিৎ সৌম্য সেই শরীরটা আঁকি যেই বালুকার বুকে, তার জীবন্ত বাহার দেখে বুঝি, বীজের অঙ্কুরিত পর্ব শুরু হবে, আবারও জমবে কুলুঙ্গিতে স্নেহ । বঁড়শিতে বিঁধেছে কচুরিপানায় লুকিয়ে থাকা প্রতীক্ষিত ইল, তবু আমি বলি, দুই অঙ্কুশ মেলে রক্তাক্ত মৎস্যবাসনায় ফিরে এসো পিতা, সাজিয়ে রেখেছি উপাচার, শারঙ্গভাঙা পণে অর্ঘ্যের তল্লাশিতে তুলে আনা সব শ্লীল ।

বসন্ত (কবিতা) - অভিষেক ঘোষ

বসন্ত অভিষেক ঘোষ স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা ওজনে বাড়ুক অনুরাগ          ফের চিঠি লেখবার মতো, আমেজে ভরুক মন-প্রাণ          ঘুচে যাক জীর্ণতা ক্ষত । ছয় ঋতু কেটে লিখি চার          ঋতু আসে যায় ইচ্ছামত; খামখেয়ালেই কাটে শীত           পলাশের ফুলে ইতস্তত । তবুও সে সুপবন কই ?           বিশ্ব-উষ্ণায়ন কবলিত ! যার তরে রচি 'ফাল্গুনী',           দৈত্যের বাগানে সে মৃত ।

বারবেলা (গল্প) - শুভাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়

বারবেলা শুভাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা রিংটোন এর শব্দে পকেটের মোবাইল ফোনটা বের করা মাত্র  স্ক্রিনে ফুটে ওঠা ছবিটার দিকে তাকিয়ে অন্যান্য সময়ের মতো এবারেও বুকের ভেতরটা ঠিক একই রকম ভাবে ভরে উঠলো অনল বাবুর।  ছেলে ফোন করেছে। ' হ্যালো।' ' বাবা, আমি ট্রান্সপোর্টের অফিসে কথা বলে এসেছি।   ওদের গাড়ি এসে মালপত্র তুলে নেবে।  সেটা সোমবারও হতে পারে,মঙ্গলবারও হতে পারে। একটু পরে ওরা কনফার্ম জানাবে। মা কে চাপ নিতে একদম বারণ কোরো।' ' আরে তোর মা বললে কি আর শোনে। কবেকার অচল আধূলি,সিকি পয়সায় ঠাসা  রং চটা মাটির ঘট, সেটাও নিয়ে যাওয়া চাই। বললে বলবে,"মা লক্ষীর জিনিস.. ফেলতে নেই" কী আর করবো। আমার দাদুভাই কোথায়?' ' স্কুলে গেছে বাবা। আর বোলো না,দাদান কবে আসবে,ঠাকুমা কবে আসবে..এই নিয়েই মেতে আছে সারাদিন। ' অনল বাবু মনে মনে হাসলেন। একেই বোধহয় বলে রক্তের টান।  ' আচ্ছা দাদুভাই এলে আমায় একবার ফোনটা ধরিয়ে দিতে বলিস। আর গাড়ির ব্যাপারটা জানাস।' '  আচ্ছা। আমি অফিসের মোবাইল থেকে তোমায় রিং করবো। আজ রাখি বাবা। মায়ের সঙ্গে আর কথা বলা হলো না।...

খয়েরী রঙের পাতা - ঋভু চট্টোপাধ্যায়

খয়েরী রঙের পাতা ঋভু চট্টোপাধ্যায় স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা সকাল থেকেই হাসপাতালে ভিড়।বুধা হাসপাতালের ভিতরে না গেলেও চা খেতে আসা কয়েকজনের মুখে শুনেছে এক বুড়োকে তার ছেলে হাসপাতালের ভিতর একটা গাছের তলায় ফেলে চলে গেছে।বুড়ো শুনেই বুধার কেমন একটা সন্দেহ হয়।কালকের বুড়োটা নয় তো! ছোট থেকে এই দোকানে আছে তখন বাবার সাথে এসে কাপ ডিশ ধুয়ে দিত।সেই থেকেই সবাই চেনে জানে। কতবার ভেঙে দেবার কথা উঠলেও আবার সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে।কোনদিনও একঘন্টার জন্যে দোকান পুরোপুরি বন্ধ করেনি, একদিকের ঝাঁপটা একটু নামালেও অনেকেই জানে গভীর রাতেও বুধার দোকানে চা পাওয়া যাবে।তবে এবারেই অনকেদিন ধরে সকালেও ঝাঁপটা নামিয়ে রাখতে হয়েছিল।এই দিন কয়েক হল পুরো খুলছে। না হলে তো ঝাঁপের বাইরেটাতে ফল নিয়ে বসেছিল আর তার বউ বেবি পাড়াতে সব্জি নিয়ে বসত।অবশ্য যারা জানত তারা এসে এদিক ওদিক তাকিয়ে একটু আস্তে বলে উঠত,‘একটু চা হবে নাকি?’ বুধাও চারদিকটা দেখে নিয়ে উত্তর দিত, ‘মিনিট দশ ঘুরে আসুন তার মধ্যে করে দেবো।’ মাঝে মাঝে নিজের মনে হাসত।কি রকম অদ্ভুত ব্যাপার, সাধারণ লোক ভয় পায় পুলিশকে আর তারাই এসে মাঝে মাঝে বলে,‘এই বুধা কয়েককাপ স্পেশাল চা ...

মায়ায় গড়া মেঘের ছড়া - মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় দাস

ছড়া মায়ায় গড়া মেঘের ছড়া মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় দাস মেঘ না চেয়েই জল, মেঘনা টলটল, মেঘকন্যা টাপুর টুপুর বাজায় মুক্তো মল৷ মেঘ পরে মেখলা, মায়ায় ঘেরে মন, কোন্ মদিরায় মন মেতেছে, মন্হর পবন৷ মেঘ আকাশে, মনে, ছাইছে সবুজ বনে, মেঘ নাচছে দ্রিমি দ্রিমি মাদল শুনে শুনে৷ কোথায় মহল মেঘের? গজদন্তের চূড়ো? মেঘলা মেয়ে বৃষ্টি হয়ে ভিজিয়ে দিল পুরো৷ Download

সাপ্তাহিক রবিবর্ণ | সূচনা

সাপ্তাহিক রবিবর্ণ --- সূচনা --- স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা এই সপ্তাহের লেখক সূচী Click on the writer's name to read directly. তামস চক্রবর্তী মলয় পাল মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় দাস অনিল কুমার দাঁ রবীন বসু বিভাসকান্তি মন্ডল সায়ন মন্ডল বিকাশ চন্দ রাজকুমার সরকার (অণুগল্প) পরাগ ভট্টাচার্য্য কবিতা মিথ্যে স্মৃতি তামস চক্রবর্তী মন ভেঙে গেলে জীবন খোঁজে ঢেউ কতটা ভালোবাসবো আজ । বাঁচার সাধনা কেবলই অর্থহীন নিরুদ্দেশ যাত্রা, পরবাসী মন । ভাবনায় পাক খায় কি করে হারাবো তাকে জীবনের ক্ষুদ্র পানসি ভেসে গেলে । হৃদয়ের দাগ মুছে যায় যাক, মাটির গভীরে গোপন আলোয় নিজেকেই ঋদ্ধ করে নেবো শূণ্যতায়। অদ্ভুত মৃত্যু নামুক নিঃশব্দ পায়ে উড়ে যাক মুঠো মুঠো ছাই, পরিশুদ্ধ জীবন ঘন হয়ে আসে পাহাড় চুড়ায়, তুষারের সুস্নাত ভালোবাসায় হীরকদ্যুতির মতো জ্বলে ওঠে সেই মুখ, ঘাসের পাতায়, অলেয়ায়। একদিন শেষ আসে মিথ্যে হয় সব লেনদেন , পাওয়া না পাওয়ার অক্ষয় শব্দ মালায় স্নান সেরে ভোর পাখি ,খুঁজে নেবে নিদ্রিত সকাল , পবিত্র গঙ্গা জলে শুদ্ধ হয় সাড়হীন দেহ। পূর্ণ হয় চক্রের পুণ্য প্রয়াস । কেন গাছ হতে চা...

সাপ্তাহিক রবিবর্ণ | স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা

রবিবর্ণ | স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা

YouTube Channel (SANKHACHIL)

YouTube Channel Our YouTube Channel name is different because of a partnership issue. We are joined with the SANKHACHIL Production that is established this year, 2020 and wishing to get a high rate of performance from the audience and spectators. Our channel name is Sankhachil. We help to stretch it longer in future. Many posts are waitting to be enlisted in the vedio bar of YouTube. Kindly notice: in this channel we posts only the audio, vedio of poems, short stories, coversations, letters etc. In future we dream to host a shortfilm/film for the new genearation demand and to provoke the curiousity of litterature in Bangalees. Also Subscribe our channel and Like all posts, Sharing with your friends, relatives must. You can also watch our upcoming vedioes in this page or going to the direct channel through the link that will be given here. Can Hope that You Will Love This!! Click the links to the Vedio section to watch them. Vedioes 1. নন্দিনী- Nandini, A be...

স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা | বৈশাখ সংখ্যা | প্রথম সংখ্যা

কবিতা গল্প অণুগল্প স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা | বৈশাখ সংখ্যা নিবেদনে :  স্বরবর্ণ sworobarna ~সম্পাদকীয়~ বিশ্ব জুড়ে চলছে মহামারি, করোনা ভাইরাস। এই সংকটময়, দুর্দিনে চারদিকে লকডাউনের একঘেয়ে কাটাতে আমাদের এই উদ্যোগ যাতে সাহিত্যানুরাগী ব্যাক্তিরা সাহিত্য থেকে বঞ্চিত না হন। স্বরবর্ণ হল একটি ফেসবুক পেজ, সাহিত্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এবং সাহিত্য কে বাঙালির মননে বজায় রাখতে যার সৃষ্টি। অনেকটা পথ চলার পর এবার প্রকাশিত হল স্বরবর্ণ সাহিত্য পত্রিকা, বৈশাখ সংখ্যা। এই পত্রিকা একটি ওয়েব ম্যাগাজিন রূপে প্রকাশিত। পত্রিকাকে সমৃদ্ধ করতে যেসব লেখক, কবি দের সৃষ্টি গৃহিত হয়েছে তাদের প্রত্যেককে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন। বহু সাহিত্যিকের লেখা আমার কাছে এসেছে কিন্তু যেহেতু সর্বশ্রেষ্ঠ লেখাই নির্বাচিত হয়ে থাকে তাই সকলের লেখা এখানে প্রকাশ করা গেল না। যাদের লেখা মনোনিত হয়নি তাদের কাছে অনুরোধ আপনারা আপনাদের সাহিত্যচর্চা বজায় রাখুন এবং আরো লিখুন। সর্বমোট তিরিশ জনের লেখা স্বরবর্ণ পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় তুলে ধরা গেল। পরবর্তীকলে আশা করি এর চেয়ে অধিক সং...